| |
'মানবতার
কল্যাণে নিবেদিত
হোক সাংবাদিকতা'এই
মহতী ম্লোগান
সামনে রেখে
এক ক্রান্তী
লগ্নে বাংলাদেশের
ঐতিহ্যবাহী
বাণিজ্য কেন্দ্র
চৌমুহনী নামকে
ধারণ করে চৌমুহনী
সাংবাদিক ইউনিটি
১৯৯৯ সালের
৩ আগস্টে নানা
টানা পোড়নের
মধ্যে দিয়ে
যাত্রা শুরু
করে।
হাঁটি হাঁটি
পা পা করে এ সংগঠন
১০ টি বছর অতিক্রম
করতে যাচ্ছে।
দীর্ঘ এই পরিক্রমায়
সাংবাদিক ইউনিটি
বৃহত্তর নোয়াখালীতে
ব্যাপক সুনাম
কুঁড়িয়েছে।
প্রান্তের
সাংবাদিকতা
নব দিগন্তের
সুচনা করেছে।
ইতোমধ্যে সাংবাদিক
ইউনিটির সদস্যদের
কর্মকান্ডের
পরিধির বিস্তৃতি
হওয়ার কারনে
নামকরনের দিক
থেকেও এর পরিবর্তন
আনা হয়।
বর্তমানে যা
নোয়াখালী সাংবাদিক
ইউনিটি হিসেবে
সকলের কাছে
পরিচিত।
আমারা জানি
প্রান্তে যারা
সাংবাদিকতা
করেন তারা প্রতিনিয়তই
নানা বঞ্চনার
শিকার হন।
মফস্বলে বসে
কলম সৈনিকের
যুদ্ধ করেও
সুফল পায় না
সাংবাদিকরা।
কেন্দ্রের
সাংবদিকরা
যখন তথ্য প্রযুক্তিতে
সমৃদ্ধ হচ্ছে
তখন মফস্বল
সাংবাদিকরা
এখনও পুরানো
প্রযুক্তি
নিয়ে বসে আছে।
তাৎক্ষনিক
কোন ঘটনা প্রবাহের
ছবি ও সংবাদ
পাঠাতে নানা
বিড়ম্বনার
শিকার হতে হচ্ছে।
মেঘনা বিধৌত
নোয়াখালীতে
সাংবাদিকতার
একটি গৌরজ্জ্বল
ইতিহাস রয়েছে।
একাধিক সংগঠন
রয়েছে সাংবাদিকদের।
দীর্ঘ ইতিহাসে
এখনও অনেক সংগঠন
সাংবাদিকদের
কল্যাণে বা
তথ্য প্রযুক্তিতে
সমৃদ্ধ করার
ক্ষেত্রে ভূমিকা
রাখতে পারেনি।
যখন মফস্বল
সাংবাদিকতায়
একটি ক্রান্তিকাল
অতিক্রম করছে
ঠিক সেই সময়
অন্ধকারে আলোর
ঝলকানি দেখা
দিয়েছে।
সকল তথ্য প্রযুক্তি
সমৃদ্ধ হয়েছে
নোয়াখালী সাবাদিক
ইউনিটি
।
আজ যা আজ একটি
উপমা।
সুন্দর,
নিরিবিলি পরিবেশে
অবস্থিত নোয়াখালী
সাংবাদিক ইউনিটিতে
বর্তমানে ২টি
কম্পিউটার,
ইন্টারনেট
সংযোগ,
ফ্যাক্স সার্ভিস,
ডিজিটাল ক্যামেরা
সহ অবকাঠামোগত
নানা কাজে উন্নতি
লাভ করেছে।
বৃহত্তর নোয়াখালীর
এটিই একমাত্র
সাংবাদিক সংগঠন
যারা সর্বপ্রথম
ওয়েবসাইট প্রকাশের
মাধ্যমে নিজেদের
পরিচিত ও কর্মকান্ড
সারা বিশ্বের
মানুষদের কাছে তুলে ধরার ব্যবস্থা নিয়েছে।
বিস্তারিত
সংগঠন পরিচিতি>> |